এক্সক্লুসিভ

প্লিজ গ্রামের অশিক্ষিত দাইদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের সচেতনতার জন্য এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

হবিগন্জ থেকে মাসুদা নামের ৪০ বছরের এক মহিলা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী এন্ড অব্স্ বিভাগে ভর্তি হয়।আমি অবাক হয়ে গেলাম ঘটনাটি শুনে, দেখে…….

প্লিজ গ্রামের অশিক্ষিত দাইদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের সচেতনতার জন্য এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

গতকাল সকাল থেকে প্রসব ব্যাথা শুরু হয় মাসুদার।গ্রামের দাই দিয়ে দিন ভর চেষ্টার পর রাতের বেলায় বাচ্চার মাথা ও হাত বের করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

 

নিজের অজ্ঞতার কারনে অতিরিক্ত টানাটানিতে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হবার প্রাক্কালে হাত ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই রোগীর অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির বাকী অংশটুকু বের করে আনা হয়।

জানি এটা কোন সংবাদের শিরোনাম হবে না কেননা এখানে কোন ডাক্তার জড়িত নেই।
গ্রামের অশিক্ষিত দাইদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের সচেতনতার জন্য এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

(Collected)

জেনে নিন, জীবনের সব গোনাহ মাফ পেতে ফরয নামাজের পর ৪টি দোয়া পাঠ করুন

জীবনের সকল গোনাহ মাফ পেতে ফরয নামাজের পর ৪টি বিশেষ দোয়া পাঠ করুন। যে ব্যক্তি ফরয নামাজগুলোর পর দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করে আমল করবেন, মহান আল্লাহ তায়ালা ওই প্রার্থনাকারীর সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। ইনশাল্লাহ্ গুনাহ মাফের এই গুরুত্বপূর্ণ দোয়াটি হচ্ছে-

আরবি উচ্চারণ: سُبْحَانَ اللهِ، اَلْحَمْدُ ِللهِ، اَللهُ أَكْبَرُ، لآ إلهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ- বাংলা উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩ বার)। আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩ বার)। আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার)। লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহু; লাহুল মুল্কু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লে শাইয়িন ক্বাদীর (১ বার)।

অর্থ : আল্লাহ তায়ালা পূতপবিত্র। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। নেই কোন উপাস্য একক আল্লাহ ব্যতীত; তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব ও তাঁরই জন্য যাবতীয় প্রশংসা। তিনি সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী। (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬৬, ৯৬৭, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮)। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয ছালাতের পর উক্ত দোআ পাঠ করবে, তার সকল গোনাহ মাফ করা হবে। যদিও তা সাগরের ফেনা সমতুল্য হয়’। (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬৭)

জেনে নিন, জন্মের আগে থেকেই কি বিয়ের বিষয়টি নির্ধারিত?

 

প্রশ্ন : সবাই বলে বা অনেক হুজুরও বলেন যে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে—এই তিনটি আল্লাহ আগেই নির্ধারণ করে রাখেন। আমি জন্ম-মৃত্যু বিশ্বাস করি; কিন্তু বিয়ে আল্লাহ জন্মের আগে নির্ধারণ করে রাখেন, এটা নিয়ে আমার একটু দ্বিধা আছে। অনেকে বলে যে আমি যদি এটা বিশ্বাস না করি, তাহলে গুনাহ হবে। এই বিষয়টি একটু জানতে চাই।

উত্তর : এটা আসলে তাকদিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বিষয়। তাকদিরকে আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারিনি, যে কারণে এমন একটি বিভ্রান্তিতে আমরা পড়ে যাই এবং প্রশ্ন তুলি। আসলে আল্লাহতায়ালা যে তাকদির নির্ধারণ করেছেন, সেটি সৃষ্টিরও আগে, এটা হাদিসেও এসেছে। ফলে এই তাকদিরটি কী আসলে? এটা কি বাধ্য করা নাকি অন্য কিছু?

আল্লাহর তাকদিরের চারটি স্তর। তাকদিরকে বোঝার জন্য সেই চারটি স্তর আগে বুঝতে হবে। প্রথমত হচ্ছে, আল্লাহ সবকিছু জানেন, আল্লাহ যা জানেন তা লিখে রেখেছেন, যা লিখে রেখেছেন তা তিনি চান এবং যা তিনি হওয়াতে চান, তা তিনি সৃষ্টি করেন। এই চারটি স্তর থেকে বোঝা যাচ্ছে, আল্লাহ জোর করে কারো ভালো-মন্দ করেন না বা একজনের বিয়ের ব্যবস্থা করেন না। এখানে সৃষ্টির কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।

এই তাকদিরের সঙ্গে মানুষের দায়িত্ববোধের কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহ যে তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন অথবা পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছেন, সেটা তাকদিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তাকদির তার জায়গায় থাকবে। কিন্তু আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তোমাদের ভালো-মন্দের একটা সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তাকদির হচ্ছে আল্লাহর ভাবনা, এটা মানুষের বিষয় নয়। অতএব, এটি নিয়ে মানুষের নাড়াচাড়া করার কোনো প্রয়োজন নেই।

মানুষ শুধু তাকদিরে বিশ্বাস করবে, এটুকুই। এটাকে নিয়ে গবেষণা করার কোনো সুযোগ নেই। বিনা বাক্যব্যয়ে, কোনো যুক্তি-অযুক্তি ছাড়া আল্লাহ আমাদের যা বলেছেন, আমরা সবটাই বিশ্বাস করব। আমরা শুধু আল্লাহর বিধিবিধানগুলো মেনে চলব। তা মেনে চললে আমরা পুরস্কার পাব এবং ভঙ্গ করলে আমরা শাস্তি পাব। এখানে তাকদিরকে দলিল হিসেবে আনা যাবে না। এই ব্যাপারে সব ওলামায়ে কেরাম এবং সাহাবায়ে কেরাম একমত।

বিয়ের ব্যাপারে তো উদ্যোগ-আয়োজনের ব্যাপার থাকে। অভিভাবক আছে, তাঁদের কিছু তৎপরতার প্রয়োজন হয়। এখানে সেই প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং এর ফলও পাওয়া যায়। আমরা তো আশপাশে দেখেছি, বিয়ে হচ্ছে না। কিন্তু প্রচেষ্টা চালিয়েছে, বিয়ে হয়ে গেছে। এভাবে না হওয়ার উদাহরণ তো খুবই কম। এটা আল্লাহর হাতে বলে আমি বসে থাকব, তার সুযোগ নেই। আল্লাহর হাতে তো সবকিছুই। যে যেটার উপযুক্ত, সে সেটাই পেয়ে যায়।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বোচ্চ পঠিত

Quis autem vel eum iure reprehenderit qui in ea voluptate velit esse quam nihil molestiae consequatur, vel illum qui dolorem?

Temporibus autem quibusdam et aut officiis debitis aut rerum necessitatibus saepe eveniet.

কপিরাইট © ২০১৫ - মিশ্র বাংলা এর একটি প্রচেষ্টা

To Top